আমাদের পরিচিতি
পশ্চিমবাংলার মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রয়্যাল গ্রুপ অফ কোম্পানির একমাত্র উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যা/সভানেত্রী। রয়্যাল গ্রুপ অফ কোম্পানির চেয়ারম্যান ও প্রেসিডেন্ট শ্রী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রয়্যাল গ্রুপ অফ কোম্পানির সিইও শ্রী প্রীতম বন্দ্যোপাধ্যায়। আজকের ইন্ডিয়ান রয়্যাল ফ্যামিলি একদিনে নির্মিত হয়নি। রয়্যাল গ্রুপ অফ কোম্পানি অথবা ইন্ডিয়ান রয়্যাল ফ্যামিলি প্রথম জীবনে রয়্যাল অ্যান্টিক গ্যালারী নামক একটি যৌথ পার্টনারশীপের ব্যাবসা ছিলো, উক্ত প্রতিষ্ঠানের কাজ ছিলো শুধুমাত্র অ্যান্টিক পন্য ক্রয় ও বিক্রয় করা। রয়্যাল অ্যান্টিক গ্যালারীর তখনকার অফিস ছিলো যাদবপুরে ছোট এক রুম বিশিষ্ট একটি কক্ষের মধ্যে সীমাবদ্দ। আজকের রয়্যাল গ্রুপ অফ কোম্পানির চেয়ারম্যান শ্রী প্রিতম বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাপস নামক দুই ব্যাক্তি মিলেমিশে ব্যাবসা পরিচালনা করছেন। একটানা দুই বছর ব্যাবসা পরিচালনা শেষে পার্টনারশীপ এর সমাপ্তি শেষ করে। বর্তমান রয়্যাল গ্রুপ অফ কোম্পানির সমগ্র বিশ্বে মোট আঠারো টি ব্যাবসা পরিচালনা করছে। শ্রী অমিত বন্দ্যোপাধ্যায় এর মোট তিন সন্তান রেখে ,তার স্ত্রী মৃত্যুর পথের যাত্রী হিসেবে পরপারে চলে যায়। (১) ছেলঃ শ্রী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (১২) বছর, (২) ছেলেঃ শ্রী প্রিতম বন্দ্যোপাধ্যায় (২) বছর, (৩) ডক্টর প্রিতী বন্দ্যোপাধ্যায় (৬) মাস।
এবার চলে যাচ্ছি কিভাবে পশ্চিমবাংলার মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই রয়্যাল ফ্যামিলির সাথে যুক্ত হলো - সেই ইতিহাস জানাবো পশ্চিম বাংলার আপামার জনসাধারন ও অনেকের কাছে না জানা এক প্রশ্নের উত্তর।
আসলে কে এই অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়? সেই উত্তর পেলেই খোলসা হয়ে যাবে অথবা অজানা প্রশ্নের উত্তর ফাস হয়ে যাবে। অমিত বন্দ্যোপাধ্যায় মূলত একজন অবসর প্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক। তার জন্ম ভারতের পশ্চিম বাংলার ৩০ বি, হরিশ চ্যাটার্জী স্ট্রীস্ট রোড , কলকাতা - ৭০০০২৬, ইন্ডিয়াতে।
অমিত বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন মোট সাত (৭) ভাই বোনের মধ্যে সকলের বড় দাদা। এরপর ছিলো একটি মাত্র বোন ও আরোও পাঁচ (৫) টি ছোট ভাই। শ্রি অমিত বন্দ্যোপাধ্যায় এর স্ত্রী যখন তিন (৩) ছেলে মেয়েকে রেখে ,চলে যায় না ফেরার দেশে ঠিক তখনই ঘটে যত অঘটন।
অমিত বন্দ্যোপাধ্যায় পরে যান একটু টানা পোরেনের মধ্যে, সমগ্র দিন শিক্ষাকতা করা এর ছেলেমেয়েদের দেখাশুনা ও সংসার সামলানোর ঝামেলাই। তখন বেড়িয়ে যায় তারই আপন ছোট ভাই ও বৌদের চরিত্র। সেই সময় অমিত বন্দ্যোপাধ্যায় কে ফেলে রেখে সকলেই মূলত ছুটে চলে ,নিজেদের কে গোছানোর ধান্দায়।
সেই সময় একমাত্র ছোট বোন আজকে যিনি পশ্চিমবাংলার মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বিপদের সময় কলেজ পড়ুয়া ছোট বোন ভাইয়ের বিপদে অন্য সকলের মতো নিজেকে গুটিয়ে নিতে পারেনি, আসলে কোন বোন কখনোই দাদাদের বিপদে ফেলতে পারে না, ঠিক এই বিষয়টি নিজেই মাঝে মাঝে উপলব্দি করি। তারই কি কারন আজ সেটাও আপনাদের খোলামেলা ভাবে জানিয়ে দিবো।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তখন তিনি যেমন ছাত্রী, তেমনি তিন (৩) সন্তানের মা আবার সংসার সামলাতে গিয়ে হয়ে ওঠেন একজন প্রাইভেট শিক্ষিকা।
এই সব কিছু সামলাতে কখন যে নিজের বিয়ের পিড়িতে বসার বয়সটাও শেষ হয়ে গেছে, সেই দিকেও খেয়াল রাখতে পারেনি। তখন তার মাথায় শুধুমাত্র একটি চিন্তা ছাড়া হয়তো অন্য কোন চিন্তা এসে বাসা বাধার সময় পায়নি। একে একে তিন (৩) সন্তানই সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে সকলেই মানুষের মতো মানুষ হিসেবে নিজেদের তোরী করেছে হয়তো সেই সন্তানেরাও জানতো না। প্রথমে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শিক্ষা জীবন শেষ করে কিছুদিন চাকুরী জীবনে জড়িয়ে পরে, পরবর্তীতে নিজেকে সামিল করে রাজনীতিতে, যিনি বর্তমানে সর্বভারতীয় তৃনমুল কংগ্রেসের সাধারন সম্পাদক।
এরপর শ্রী প্রিতম বন্দ্যোপাধ্যায় পিসির কথা মেনে ইসলামীক হিস্ট্রিতে অনার্স ও মাস্টার্স শেষ করে জড়িয়ে পরে পার্টনারশীপ এর যৌথ ব্যাবসায়ায়ীক জীবনে। আর রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম নেওয়ার পরেও তিনি নিজেকে রেখেছেন সকলের থেকে সম্পূর্ন ভিন্ন এক জগতের মধ্যে।
এবার তখন কেন বলে ছিলাম যে, বোন কখনো হয়তো দাদাদের কে কষ্ট দিতে শেখে না। তারই এক জলন্ত উদাহরন ছিলো আমার নিজের মা-মড়া মেয়ে ডক্টর প্রীতি বন্দ্যোপাধ্যায়। আমার কাছে এখনো পর্যন্ত মনে হয় আমি ছিলাম ওর পৃথীবি। প্রীতি ডক্টর হিসেবে চাকুরীরত অবস্থায় নিউইয়ররকে নিজেকে স্থায়ী নাগরিক হিসাবে বসবাস করতে শুরু করে আর এর মধ্যে গোপনেই বিয়ে করে নেই কলকাতার ছেলে যে ছিলো নিউ ইয়র্কে একই হসপিটালের ডক্টর, তাকেই বিয়ে করে গোপনে। যে বিষয়টি প্রায় দুই (২) বছরের মতো গোপন রাখে। আর দুই বছর পরে সর্ব প্রথম আমাকে বিষয়টি জানালে আমি পরিবারের সকলকে বুঝিয়ে মানিয়ে নিতে চেষ্টা করি এবং একপর্জায়ে গিয়ে সফল হই। সেই প্রিয় বোনের ঝুলন্ত লাস নিউ ইয়র্কে নিজের বাড়ি হতে। এমন সংবাদ শুনে মর্মান্তিক ভাবে শোকাহত হয়ে পরেছিলাম তবুও নিজেকে সামলে নিয়ে একমাত্র বোনের মৃত দেহ আনতে ছুটে যায় বিমানে ২৫ ঘন্টা জার্নি করে। ঐখান থেকে লাস নিয়ে আসাটি কোন সহজ ব্যাপার ছিলো না।
সকলে হয়তো আগে জানতো না গত ২০২৩ সালের ২৯ নভেম্বর ভোড় রাতে প্রথম বারের মতো শুনতে পাই, আমার বোন আত্নহত্যা করেছে। আসলে ব্যাপারটি আত্নহত্যার ছিলো না, সেটি ছিলো একটি পরিকল্পিত মার্ডার - জানি না খুনীরা এইটা করে কি শান্তি পায়?
আমি নিজে রাজনীতির সাথে জড়ানোর চেষ্টা করি নাই কারন সত্য বলতে প্রায় শুনতে পায়, আমার দাদাকে মার্ডার করবার জন্য বিভিন্ন সময়ে পরিকল্পনা করে সমাজের কিছু খারাপ মানুষ। তবে নিজেকে আর রাজনীতি হতে দূরে রাখতে পারলাম কোথায়? যখন নিজের মায়ের চেয়েও আপন হয় যে পিসি। আর সেই পিসি যখন বলে রাজনীতিতে তোমাকে আসতে বলছি এইটা আমার অনুরোধ নই, এইটা আমার আদেশ। তখন আসি আসি করে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের মাত্র কয়েকদিন আগেই যোগদান করি সর্বভারতীয় তৃনমুল যুব কংগ্রেস সভাপতি হিসেবে।
crossorigin="anonymous">